বাবরি মসজিদের উপর ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের রায় নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই।এই বিতর্কের যথেস্ট কারণও রয়েছে।

প্রথমত, এক হাজার পয়তাল্লিশ (১০৪৫) পৃষ্ঠার সম্পূর্ন রায়ের কোনো অংশে অযোধ্যার ঐ জায়গায় যে রামমন্দির ছিলো,তার কোন উপযুক্ত প্রমাণ পাননি ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ।

তারা শুনেছেন ৬০০ খিষ্টাব্দে মন্দির ছিলো।পরবর্তীতে ১৬০০ খিষ্টাব্দে বাবরি মসজিদ নির্মান করা হয়েছিল এবং ১৯৯২ সালে ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিবসেনা পার্টির সমর্থকরা মসজিদটি ধ্বংস করে দেয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে স্পস্ট বলা হয়েছে যে মসজিদ ধ্বংস করা সম্পূর্ণ অন্যায় হয়েছে এবং এতে আইনের শাসনের লংঘন হয়েছে।
তাহলে এই অন্যায় ও লংঘনের বিচার কোথায়?

দ্বিতীয়ত,শুধুমাত্র শুনা কথার উপর ভিত্তি করে কোন রায় দেয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত এবং সাংবিধানিক?

রাম মন্দির ছিল তা আপনারা শুধুমাত্র শুনেছেন,যার কোনো উপযুক্ত প্রমাণ নেই অথচ মসজিদের যে অস্তিত্বের ছিল তার চাক্ষুস প্রমানও আছে। তারপরও রায়টা মুসলমানদের পক্ষে আসলো না!

ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা থেকে যথেষ্ট উন্নত, তারপরও এরকম কপি-পেষ্ট রায় লেখাটা প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ তথা তাদের দেশের উন্নত বিচার ব্যবস্থার কাছ থেকে আমরা আশা করি না।

লেখক :-আজহারুল ইসলাম